সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

ঘোষনা :
বর্তমান সময়ের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। মোবাইল: ০১৭৯৩-৫০১৮৫০ ও ০১৯৬৬-৭৮৭৭০৩  ই-মেইল: newsdailybartomansomoy@gmail.com

নড়াইলে প্রেমিকের হাত ধরে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও, স্বামীর মানববন্ধন


শরিফুজ্জামান, নড়াইল সংবাদদাতা  ঃ সৌদি থেকে ফিরে দেখেন বাড়ি তালাবদ্ধ, কোটি টাকা নিয়ে উধাও স্ত্রী। প্রেমের সম্পর্ক করে ২০০২ সালে ফাতেমা বেগমকে বিয়ে করেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের বিলবাউস গ্রামের ইয়ার আলী লস্করের ছেলে ইমরুল লস্কর। এরপর ২০০৭ সালে সৌদি আরব পাড়ি জমান। মাঝে কয়েকবার দেশে এসেছেন। তবে রোববার (৯ জানুয়ারি) দেশে এসে দেখেন, গ্রামের বাড়ি তালাবদ্ধ। স্ত্রী ফাতেমাও বাড়িতে নেই।সৌদি প্রবাসী ইমরুল লস্করের অভিযোগ, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছেন। এ ঘটনায় বিচার দাবি করেছেন ইমরুল। অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম একই গ্রামের আলহাজ হাসেম শেখের মেয়ে। ইমরুল লস্কার অভিযোগ করে বলেন, সৌদি আরব থেকে আজ সকালে বাড়িতে এসে দেখি গেটে তালা দেওয়া। পাশে আমার শ্বশুরবাড়ি। সেখানে গিয়ে শ্বশুর হাসেম শেখ ও শাশুড়ি ভ্যাগা বেগমের কাছে স্ত্রীর কথা জিজ্ঞেস করতে কিছুই জানেন না বলে দাবী করেন। তিনি আরও বলেন, ২০০২ সালে ফাতেমার সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে আমাদের বিয়ে হয়। ২০০৭ সালে আমি সৌদি আরব চলে যাই। সেখান থেকে আমি স্ত্রীর নামে দীর্ঘ ২০ বছরে ৯৭ লাখ টাকা পাঠিয়েছি। আমার নামে বাড়ি করার জন্য গ্রামে ১৩ শতক জমি কিনতে বলি। ওই জমিও নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন ফাতেমা। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমি এর বিচার চাই। ইমরুল লস্কার তার তালাবদ্ধ বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন। এসময় তার সঙ্গে বিদেশ থেকে আনা কয়েকটি লাগেজও দেখা যায়। স্ত্রীর বিষয়ে তারা কিছু জানেন না বলে জানান। ইমরুল লস্করের এই অবস্থা দেখে প্রতিবেশীরা ফাতেমা বেগমের বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন। কয়েকদিন ধরে ইমরুলের বাড়ির বিল্ডিং ও সীমানা প্রাচীরের গেটে তালা ঝুলতে দেখেন প্রতিবেশী মুজিবর মোল্লা। তিনি বলেন, কালিয়ার চাঁদপুর গ্রামের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কবিরের সঙ্গে ফাতেমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে শুনেছি। সম্ভবত তার কাছে চলে গেছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফাতেমা বেগমের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ফাতেমার বাবা হাসেম শেখ ও মা ভ্যাগা বেগম বলেন, মেয়ে কোথায় গেছে জানি না। তবে জামাই ইমরুল তার নামে টাকা-পয়সা পাঠাতেন ও বাড়ি কিনে দিয়েছেন। টাকার পরিমাণ ৯৭ লাখ হবে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, ৯৭ লাখ টাকা হবে কি না জানি না। তবে ইমরুল ফাতেমার নামে টাকা পাঠিয়েছেন ও বাড়ি করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে কালিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কনি মিয়া শেখ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়মানুযায়ী তথ্য মন্ত্রনালয় বরাবর নিবন্ধনের জন্য আবেদিত অনলাইন পত্রিকা । © All rights reserved © 2019 dailybartomansomoy.com
 
Design & Developed BY Anamul Rasel