রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

ঘোষনা :
বর্তমান সময়ের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। মোবাইল: ০১৭৯৩-৫০১৮৫০ ও ০১৯৬৬-৭৮৭৭০৩  ই-মেইল: newsdailybartomansomoy@gmail.com

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতাঃ চুয়াডাঙ্গায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও শৈত্যপ্রবাহের কারণে কমেনি শীতের দাপট। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ এলাকার মানুষ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই জেলায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

তীব্র শীতে প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো। সোমবার ভোরে এলাকার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও চায়ের দোকানে শীত নিবারণের চেষ্টায় আগুন জ্বালিয়ে উত্তাপ নিতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে।

এদিকে তীব্র শীতে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম দেখা যাচ্ছে। গত তিন দিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশুসহ প্রায় ২০০ রোগী ঠান্ডাজনিত কারণে আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম।

রিকশাচালক আসলাম উদ্দিন বলেন, আজ প্রচন্ড শীত লাগছে। ঠান্ডার জন্য রিকশা চালানো যাচ্ছে না। হাত ও পায়ের পাতা মনে হচ্ছে বরফ হয়ে যাচ্ছে। পেটের দায়ে বাড়ি থেকে বের হলেও প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাচ্ছে না। হালকা বাতাসে পুরো শরীর কাঁপছে। এ রকম আরও কয়েকদিন হলে সকালে কাজে বের হওয়া যাবে না।

বেসরকারি চাকরিজীবী আশরাফুল হক বলেন, সকাল ৮টার মধ্যে অফিসের উদ্দেশে বের হতে হয়। আজ প্রচণ্ড শীতের কারণে রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। যেন শরীরটা একটু গরম থাকে। কিন্তু হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা।

আবুল কালাম আজাদ নামে একজন হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, সকালে নাস্তার জন্য হোটেলে চাপ থাকে। এজন্য ফজরের আজানের পর থেকেই কাজের চাপ। পানিতে হাত পড়লে মনে হচ্ছে অবশ হয়ে যাচ্ছে। আঙুলগুলো নাড়ানো যাচ্ছে না। তারপরও কাজ করছি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম বলেন, এখন পর্যন্ত হাসপাতালে রোগীর চাপ কম রয়েছে। প্রতিদিন ৫০-৬০ শিশু ও বয়স্ক রোগী ঠান্ডাজনিত কারণে আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে রোগীর সংখ্যাও বাড়বে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই জেলায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ থেকে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। থাকবে ২-৩ দিন। এ তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

  • গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়মানুযায়ী তথ্য মন্ত্রনালয় বরাবর নিবন্ধনের জন্য আবেদিত অনলাইন পত্রিকা । © All rights reserved © 2019 dailybartomansomoy.com
 
Design & Developed BY Anamul Rasel